স্টাফ রিপোর্টার
রূপগঞ্জের কায়েতপাড়ায় জলসিঁড়ি ও পৈতৃক ভিটা-মাটি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত সভায় জমি ক্রয়, ক্ষতিপূরণ, সীমানা নির্ধারণ, জমির মূল্য এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় অবিক্রীত জমির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে প্লট বরাদ্দ অথবা জমির বদলে জমি বিনিময়ের প্রস্তাব উঠে আসে। পাশাপাশি জমির প্রকৃত ও ন্যায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করে মূল্য পরিশোধের বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্য পোষণ করে।
সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরেজমিনে স্থানীয় গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে ডিমার্কেশন করার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে প্রকল্প এলাকা থেকে অন্তত ৩০০ মিটার দূরে অথবা গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সীমানা নির্ধারণের প্রস্তাবও উঠে আসে।
জমির মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক সম্মতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে প্রতি শতাংশ জমির প্রাথমিক মূল্য ৩০ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে; মৌজা, জমির প্রকৃতি ও ধরন অনুযায়ী মূল্য আরও বাড়তে পারে বলে সভায় জানানো হয়।
এছাড়া এলাকায় মাদক ও ডাকাতি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা, ঢাকা-রূপগঞ্জের প্রধান দুটি সড়ক ২৪ ঘণ্টা উন্মুক্ত রাখা, কেউডালা ও নাওড়া ব্রিজকে সরকারি মূল সড়কের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করা এবং জমির দলিল-সংক্রান্ত জটিলতা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের দাবি জানানো হয়।
সভায় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়েও সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
